search

Date / খেজুর

৳930.00
Tax excluded *

আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে আমাদের Message করতে পারেন। আমরা আপনাকে ফোন করে অর্ডার কনফার্ম না হওয়া পর্যন্ত পেমেন্ট করবেন না।

খেজুরের নাম
Quantity

redeem
By buying this product you can collect up to 93 loyalty points . Your cart will contain total 93 points that can be converted into a voucher of ৳18.60 .


  Return policy

We Do not Have Any Return Policy except if we send you wrong product.

  Ramadan Offer

Surprise gift with every purchase in this Ramadan.

সুস্বাদু আজওয়া খেজুর। আজওয়া খেজুর শরীরের জন্য খুবই উপকারি। আজওয়া খেজুর নরম এবং শুষ্ক, কিন্তু এটি খেতে খুব মিষ্টি এবং আপনার মুখের ভেতর ইহা মসৃণ মনে হবে। বিভিন্ন কোম্পানির আজওয়া খেজুর পাওয়া যায় বাজারে। শুধুমাত্র আপনাদের জন্য আমরা বাজারের উন্নত মানের খেজুর সরবরাহ করে থাকি। 

কেন খাবেন আজওয়া খেজুর?

  • হযরত সাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ(সা.) কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি ভোরবেলা সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে সেদিন কোনো বিষ বা যাদু তার কো্নো ক্ষতি করতে পারবে না। আজওয়া খেজুর হলো দুনিয়ার উৎকৃষ্ট মানের খেজুর। -সহীহ বুখারী: ৫৩৫৭। 

  • হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আলিয়ার (মদিনার) আজওয়া খেজুরে রোগ নিরাময়কারী এবং প্রাতঃকালীন প্রতিষেধক।’ –সহিহ মুসলিম

  • হজমশক্তি বৃদ্ধি করে, লিভার ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক। এতে রয়েছে ৬৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৭.৩ মিলিগ্রাম লৌহ – যা হাড়, দাঁত, নখ, ত্বক, চুল ভালো রাখতে সহায়তা করে।

  • এবং আরো আছে ৭৭.৫% কার্বহাইড্রেট, যা অন্যান্য খাদ্যের বিকল্প শক্তি হিসেবে কাজ করে। সহজেই ক্লান্তি দূরে করে শরীর-মন সতেজ ও চাঙ্গা রাখে। তাই রোজায় আজওয়া খেজুর খুবই উপযোগি।

  • আজওয়া খেজুর হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

  • এতে আছে ডায়েটরই ফাইবার যা কোলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়।

  • ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ এই ফল দৃষ্টিশক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

  • লাংস ও ক্যাভিটি ক্যান্সার থেকে শরীরকে দূরে রাখে।

  • অন্তঃসত্ত্বা নারীর সন্তান জন্মের সময় জরায়ুর মাংসপেশির দ্রুত সংকোচন-প্রসারণ ঘটিয়ে প্রসব হতে সাহায্য করে।প্রসব-পরবর্তী কোষ্ঠকাঠিন্য ও রক্তক্ষরণ কমিয়ে দেয়।

  • ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করে।

  • ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

  • নারীদের শ্বেতপ্রদর ও শিশুর রিকেট নিরাময়ে খেজুরের কার্যকারিতা প্রশ্নাতীত।

  • পেটের গ্যাস, শ্লেষ্মা, কফ দূর করে, শুষ্ক কাশি এবং এজমায় উপকারী।

  • উচ্চমাত্রার শর্করা, ক্যালরি ও ফ্যাট সম্পন্ন খেজুর জ্বর, মূত্রথলির ইনফেকশন, যৌনরোগ, গনোরিয়া, কণ্ঠনালির ব্যথা বা ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী।

  • নেশাগ্রস্তদের অঙ্গক্ষয় প্রতিরোধ করে।


হাজার হাজার বছর পূর্বে যখন খেজুর আবিষ্কৃত হয় তখন থেকেই তা নিরাময় ক্ষমতা সম্পন্ন বলে পরিচিত। পরবর্তীতে বিজ্ঞানসম্মত ভাবেও তা প্রমাণিত হয়। এই ফলটি অত্যন্ত সুস্বাদু বলে বেশীরভাগ মানুষ এটি খেতে পছন্দ করেন। আমাদের দেশে রোজার সময় ইফতারিতে খেজুর খাওয়া হয়। খেজুর অনেক পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক খেজুরের কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা। খেজুর, আরবিতে যাকে বলা হয় তুমুর। সৌদি আরবে রয়েছে নানা জাতের খেজুর। নামও বিভিন্ন। যেমন আজওয়া, আনবারা, সাগি, সাফাওয়ি, মুসকানি, খালাস, ওয়াসালি, বেরহি, শালাবি, ডেইরি, মাবরুম, ওয়ান্নাহ, সেফরি, সুক্কারি, খুদরি, রুথান, বারহি ও মরিয়মসহ বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫ হাজার জাতের খেজুর রয়েছে।

খেজুর যেমন দেখতে ও স্বাদে:

আজওয়া: মদিনা শরিফের সর্বোত্তম খেজুর। এটা দেখতে কালো, বিচি ছোট এবং খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু।
সাফাওয়ি: এই খেজুর নরম। গাঢ় বাদামি রঙের লম্বাটে। খেতে মোটামুটি মিষ্টি।
আমবার: মদিনার বিখ্যাত খেজুরগুলোর মধ্যে একটি। খেতে কম মিষ্টি।
সুগায়ি: এই খেজুর বড় ও ছোট দুই আকারেই হয়। মুখে দিলে একটু কস লাগে। খেতে মিষ্টি। বাইরের আবরণ নরম।
মরিয়ম: লালচে রঙের এই খেজুর এক থেকে দেড় ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়।
আনবারা: হালকা লালচে কালো রঙের এই খেজুরটি খুব মিষ্টি এবং আকারে বড় হয়।
সুক্কারি: রসালো লালচে রঙের এই খেজুরটি দেড় ইঞ্চির মতো লম্বা এবং খেতে খুব সুস্বাদু।
রুথান: টকটকে লাল রঙের বড় সাইজের হয়ে থাকে।
বারহি: খুব মিষ্টি এবং বড়ই (কুল) আকারের হয়ে থাকে এই খেজুরটি। সাধারণত কাঁচা অবস্থায় এই খেজুরটি খেতে হয়।

খেজুরে উপকারিতা:
খেজুরের মধ্যে প্রাকৃতিক আঁশের আধিক্য থাকায় এর উপকারিতা ও গুরুত্ব অনেক। গবেষকদের মতে, শুকনা খাবারের মধ্যে খেজুরেই সবচেয়ে বেশি পলিফেনল থাকে। বিপজ্জনক অনেক রোগ থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে পলিফেনল। খেজুরের চেয়ে ভালো পটাশিয়াম উৎস আর হয় না। এটা সোডিয়ামেরও ভালো উৎস। কিডনি ও স্ট্রোক জটিলতা এড়াতে এর ব্যাপক প্রয়োজন রয়েছে। এ কারণে চিকিৎসকরা প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

খেজুরের মধ্যে প্রয়োজনীয় পরিমাণে তেল, ক্যালসিয়াম, সালফার, আইরন, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেসিয়াম বিদ্যমান যা সুস্বাস্থের জন্য অতি দরকারি।

চলুন জেনে নেই খেজুরের কিছু গুনাগুণ:
স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে, হৃদরোগীদের জন্য খেজুর বেশ উপকারী, খেজুর রক্ত উৎপাদনকারী, হজমশক্তি বর্ধক, যকৃৎ ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক, খেজুর খাবারের রুচি বাড়ায়, খেজুর ত্বক ভালো রাখে, খেজুর দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে, খেজুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, পক্ষাঘাত এবং সব ধরনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য উপকারী, খেজুর ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করে, খেজুর খেলে জরায়ুর মাংসপেশির দ্রুত সংকোচন-প্রসারণ ঘটে, প্রসব হতে সাহায্য করে, প্রসব-পরবর্তী কোষ্ঠকাঠিন্য ও রক্তক্ষরণ কমিয়ে দেয়, খেজুরে কোলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়, নারীদের শ্বেতপ্রদর ও শিশুর রিকেট নিরাময়ে খেজুরের কার্যকারিতা অনেক। এছাড়া খেজুর পাতলা পায়খানা বন্ধ করে, খেজুর পেটের গ্যাস, শ্লেষ্মা, কফ দূর করে, শুষ্ক কাশি এবং এজমার জন্য উপকারী।

উচ্চমাত্রার শর্করা, ক্যালরি ও ফ্যাটসম্পন্ন খেজুর জ্বর, মূত্রথলির ইনফেকশন, যৌনরোগ, গনোরিয়া, কণ্ঠনালির ব্যথা বা ঠান্ডাজনিত সমস্যা, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী।

খেজুর মস্তিষ্ককে প্রাণবন্ত রাখে, যাদের হার্টের সমস্যা আছে তাদের জন্য খেজুর খুবই উপকারী, খেজুর লৌহসমৃদ্ধ ফল হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করে, রক্তে লৌহিত কণিকার প্রধান উপাদানের অভাবে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
খেজুর লৌহসমৃদ্ধ বলে এই রক্তশূন্যতা দূরীকরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে সেই সাথে শিশুদের জন্যও খেজুর খুব উপকারী। 

DA-MI-04

Please add your Shipping and payment information to this site.

chat Comments (0)
No customer reviews for the moment.

ABCD